শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন
চীনের সাথে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই তাইওয়ানকে ১শ ১০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে চীন। এরইমধ্যে অতি দ্রুত এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত চীনা দূতাবাস। তা না হলে এর পাল্টা জবাব দেয়ার হুমকি দিয়েছে বেইজিং।
ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধে অস্থির গোটা বিশ্ব। অর্থনৈতিকভাবেও টালমাটাল অনেক দেশ। এরমধ্যে অস্থিরতা বাড়ছে চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে। তবে ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়ে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে স্বায়ত্তশাসিত তাইওয়ান।
যুক্তরাষ্ট্রের হাউজ স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের পর চীন-তাইওয়ানের মধ্যে বেড়েছে দন্দ্ব। তাইওয়ানকে অনেকটাই সতর্ক করতে চার দিনের এক বিশাল সামরিক মহড়া চালায় বেইজিং।
পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে নিজেদেরও সতর্ক অবস্থানে রাখছে তাইপে। সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রস্তুতিও নিতে শুরু করেছে দ্বীপ রাষ্ট্রটি। এরইমধ্যে চীনকে মোকাবিলায় সামরিক মহড়া ও সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে তাইওয়ান সরকার। বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে নাগরিকদেরও।
এছাড়া, আগস্ট মাসের শুরুতে ৭ দিনের জন্য অবরোধ জারি করা হয় তাইওয়ানে। এমনকি বারবার সামরিক বিমান উড়ানো ও তাইওয়ান প্রণালীতে নৌযান পাঠিয়ে নিজেদের সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে তাইপে।
চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে তাইওয়ানের বিভিন্ন এনজিও বেসামরিক নাগরিকদের প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু করেছে। আগস্টে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরুর কথা থাকলেও ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে পূর্বনির্ধারিত সময়ের আগে এ কার্যক্রম বলে জানায় এনজিও কর্মকর্তারা।